শহর প্রতিনিধি
আওয়ামীলীগের নৈরাজ্য, দুর্বৃত্তায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে গণসংহতি আন্দোলনের মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মশাল মিছিলটি শহরের বি.বি. রোড হয়ে ২নং গেট প্রদক্ষিণ করে চাষাড়া বিজয় স্তম্ভের সামনে সমাপ্ত হয়। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী জননেতা তরিকুল সুজন।
বক্তব্যে তরিকুল সুজন বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা ছাত্র জনতার বুকে গুলি চালিয়েছে। হত্যা করেছে, হাজার হাজার মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে,
“আইন-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা অভ্যুত্থানের আগেও যেমন চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন, এখনও তারা একই রকম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। এই পতিত ফ্যাসিস্টরা নানা কূটকৌশলে দেশে নৈরাজ্য স্থাপনের মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের স্পষ্ট কথা—যতদিন পর্যন্ত এই দেশে শেখ হাসিনা, শামীম ওসমানসহ আওয়ামীলীগের সকল গণহত্যার হোতাদের সুবিচার নিশ্চিত না করা যাবে, ততদিন পর্যন্ত এই ফ্যাসিস্টরা ফিরে আসার অপচেষ্টা করতেই থাকবে। আমরা আরও দেখছি, অনেকেই আওয়ামীলীগের শূন্যস্থান পূরণ করার লক্ষ্যে চাঁদাবাজি ও নতুন করে সন্ত্রাস শুরু করেছে। তাদের প্রতি আমাদের কঠোর হুঁশিয়ারি: মনে রাখবেন, আপনাদের পরিণতি আওয়ামীলীগের চেয়েও ভয়াবহ হবে! আমরা শহীদদের নামে শপথ করে বলছি, গণসংহতি আন্দোলন যেমন অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই করেছে, তেমনি যদি নতুন করে কেউ ফ্যাসিস্ট হওয়ার দুঃসাহস দেখায়, তবে গণসংহতি আন্দোলন কঠোরভাবে তাদের প্রতিহত করবে।”
এই সময় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, মহানগর সমন্বয়কারী বিপ্লব খান, মহানগর কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক আবদুল আল মামুন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জয়, যুব ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল মোল্লা, সোনারগাঁও কমিটির সদস্য সচিব মোবাশ্বির হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সাইদুর রহমান, সহ-সভাপতি তাইরান আবাবিল রোজা, সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মৃধা, অর্থ সম্পাদক নিসা ফেরদৌসসহ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ।