শহর প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ শহর বন্দর সাবেক ৫ আসনের সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের পুত্র আজমেরী ওসমানের ক্যাডার সজীব ও হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব এখন শহরের জল্লারপাড় এলাকার শীর্ষ মাদক বিক্রিতা বিক্রিতা ।মাদক বিক্রি চালু রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে কিশোর গ্যাং ।তাদের দিয়ে এলাকায় মাদক বিক্রি ,চাদাবাজি ,দখলবাজিসহ নানা অপরাধ মুলক কর্মকান্ড করাচ্ছে ।
এলাকাবাসি জানান,হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব অপরাধী পরিবার থেকে বেড়ে উঠেছে ।তার বাবা কমল মিয়া ছিল পুলিশের র্সোস। সে তার সৎ ছেলের হাতে খুন হন ।এছাড়াও হাবিবের বড় ভাই মানিক এলাকার জনি নামে এক ছেলেকে হত্যা করে ।সে মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হয় তার ।বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে ।
এলাকাবাসি আরো জানান, হাবিব ৫ আগস্ট এর আগে আজমীর ওসমানের লোক ছিল প্রমাণস্বরূপ এলাকায় বড় করে ১৫ আগস্ট পালন ও বিভিন্ন নেতাকর্মীদের দাওয়াত করে আনা তার ছবি ও বিভিন্ন মিছিল মিটিং এর ছবি এলাকায় সাটিয়ে ছিল ।যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর রাতারাতি বিএনপি হয়ে যায় ।
দিনেও রাতে তার কিশোর গ্যাং নিয়ে হোন্ড মোহরা দিতে দেখা যায় ।পাশাপাশি সাধারণ
মানুষকে আতঙ্কে রাখতে হাবিবকে দেখা যায় ি বড় বড় ছুড়ি নিয়ে মহড়া দিতে। হাবিবকে শেন্টার দিচ্ছে বিএনপি’র ক্যাডার গাল কাটা জাকিরের ছোট ভাই ডাকাত সজিব। সজিব ডাকাতি মামলায় ৯ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি, হাইকোর্ট থেকে আপিল করে জামিনে আছে।সদর থানায় একাধীক মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।সে নারায়ণগঞ্জে আজমির ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত। ৫ আগস্টের পর সবাই নড়েচড়ে বসলেও হাবিব ও সজীব এলাকায় আছে বহাল তবিয়তে। এর কারণ হাবিবের মাদক ব্যবসার অঢেল টাকা দুজনের ক্ষমতা। মাদকের টাকায় হাবিব করেছে এলাকায় আলিশান দুইতালা বাড়ি। বাড়ির টাকা হাবিব কোথায় পেল তা নিয়ে এলাকার জনমনে রয়েছে বিভিন্ন প্রশ্ন। কারণ হাবিবের এক ভাই যাবজ্জীবন জেলে তার ছোট ভাই গার্মেন্টস কর্মী তাদের এই বাড়ি করার টাকার আয়ের উৎস কি?প্রশাসন হাবিবকে ধরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সব বেরিয়ে আসবে।
যে সব জায়গায় মাদক বিক্রি করে হাবিব ও সজীব,এক নং বাবুরাইল, ২ নং বাবুরাইল, জিমখানা, পাইকপাড়া, নোলুয়াপাড়া, ঋষিপাড়া হাবিব পাইকারী মাদক দেয় ।। হাবিবের দখলকৃত সবচেয়ে বড় স্পট হলো জিমখানা পানির টাংকি ফাইম ও সায়েম দেখে।এসব স্পটে দৈনিক লক্ষ লক্ষ্য টাকার নেশা বিক্রি হয় ।
ভুক্তভোগী সবুজ জানান,তার দুলাভাইয়ের বাড়িতে হাবিব ও সজীব সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছে ওইখানে নাকি তারা জায়গা পাবে অন্যথায় তাদের সাথে টাকা দিয়ে মীমাংসা করতে হবে। এলাকাবাসী এখন হাবিব ও সজীবের হাতে জিম্মি সবাই এর থেকে মুক্তি চায়।