শহর প্রতিনিধি
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, এখানে অনেক বড় গডফাদার ছিলো।সাত খুনের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরো বলেন,নারায়ণগঞ্জকে নিযাতনের প্রতীক হিসাব চিনতাম আমরা।
বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সাকিব হাউজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই- বেইল বন্ড দাখিল কালক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা নারায়ণগঞ্জকে নির্যাতনের বদলে মুক্তির জায়গা হিসেবে দেখতে চাই। সেটারই একটা প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ থেকে অনলাইন বন্ড বেইল প্রক্রিয়াটা শুরু করলাম পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে। এই পদ্ধতিটা কোনো আইসোলেটেড পদক্ষেপ হিসেবে চালু করা হয় নাই। আইন ও বিচার বিভাগ থেকে যে সংস্কারগুলো এনেছি তার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে বিচারের সময় কমানো। বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি হ্রাস করা। খরচের সাশ্রয় করা। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা এজন্য অনেকগুলো কাজ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘নিম্ন আদালতে যতই সংস্কার করা হোক না কেন, উচ্চ আদালত সংস্কার করা না হলে বিচার প্রার্থীরা সুফল পাবে না। সংস্কার শেষ হয়নি, সরকার যতদিন থাকবে, সংস্কার চলমান থাকবে।’
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রথম ধাপে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম চালু করা হলেও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।’
আসিফ নজরুল জানান, এ উদ্যোগকে বাংলাদেশের বিচার প্রশাসনে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই-বেইলবন্ড দাখিল কার্যক্রম শুরু করা হয়।