ফতুল্লা প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় সুমন খলিফা হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্ত্রীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ।হত্যা কান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে পুলিশ সুপার কার্যলয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানিয়েছে স্ত্রীর পরকিয়া কারনে এ হত্যা কান্ড ঘটায় ।পরে জেলার বিভিস্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন ,পরকিয়া প্রেমিক মো: মেহেদী হাসান ওরফে ইউসুফ (৪২)ফতুল্লা মডেল থানার উত্তর নসিংপুর এলাকার মো: আবুল মাস্টারের ছেলে ,মো: আব্দুর রহমান (২৮) একই থানার চর কাশিপুর এলাকার মো: আব্দুর রাজ্জাকের ছেরে ,মো: বিল্লাল হোসেন (৫৮)ফতুল্লা মডেল থানার উত্তর নরসিংপুর এলাকার মৃত. বাদশা দালালের ছেলে ,মো: আলমগীর হাওলদার (৪৫)ড্রইভার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার জালকুড়ি এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে ,মো: নান্নু মিয়া ড্রাইভার (৫৫) একাই থানার এলকার মৃত.দিদার বক্্েরর ছেলে ও নিহতের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২২)ভোলা জেলার চর টেটিয়া এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে ।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানান,নিহত সুমন খলিফা বেকার ছিল ।একারনে সোনিয়া আক্তর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে জীবিকা নিবাহ করত ।গত ৩০ নভেম্বর রাত ৮ টার দিকে সুমন খলিফ ও তার স্ত্রী সোনিয়া আক্তার ফতুল্লা থানাধীন পঞ্চবটি ্ এ্যাডভাঞ্চার পার্কের সামনে সোহেল দেওয়ানের ক্লাবে গান গাইতে আসে ।অনুষ্ঠান চলাকালীন রাত ১১ দিকে নিহত সুমন খলিফা স্ত্রীকে রেখে বাহির হয়ে যায় ।তাকে নেয়ার জন্য আর ক্লাবে আসেনি ।
তিনি আরো জানান,টাকা ধার দেয়ার কথা বলে সিএনজি করে চর কাশিপুর মধ্য নরসিংপুর হারুন পরিক্ত্যত জায়গায় নিয়ে সিগেরেট খাওয়ার কথা বলে নামায় পরে তাকে ছুরি ও সুইচ গিয়ার দিয়ে এলোপাতালে কুপিয়ে হত্যা করে ।
প্রসঙ্গত, গত ১ ডিসেম্বর নিহতের বাবা মো: মন্টু খলিফা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে ।সে মামলার সূত্র ধরে মামলা তদন্ত শুরু করে ।