দমকল কর্মীরা জানান, আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তাদের আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে ধুয়ায় স্থানীয় ৩জন আহাত হয়। তারা স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক চিৎিসা নেয়। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।
কারখানার মালিক দুলহাস মিয়া জানান, ভূমিকম্পের সময় শ্রমিকরা কারখানায় কাজ করছিলেন পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বৈদ্যুতিক দুই তারে সংস্পর্শ হয়ে আগুনের ফুলকি পরে কারখানার তুলার উপর সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো কারখানাতে। অগ্নিকাণ্ডে কারখানাটির প্রায় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরই বিকট শব্দে ট্রান্সফরমারটি কারখানার দেয়ালে আঘাত করে এবং তখনই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার ভিতরে হাইড্রলিক প্রেস মেশিনের জন্য তেলের ড্রাম রাখা ছিল। আগুন লাগার ফলে তেলে ড্রামগুলি বিকট শব্দে বিম্ফোরণ হতে থাকে। এতে করে আগুন আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় তুলা ব্যসায়ী মনির হোসেন জানান, বিভিন্ন কারখানার তুলা জুলহান মিয়ার প্রেস হাউজে আনা হয় গাইট বাধার জন্য। এ সকল তুলা ভারত, নেপাল, চিনসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়। এ কারখানায় আমাদেরও মাল রয়েছে। আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।
এ ব্যপারে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের জুন-২ এর উপ সহকারি পরিচালক ওসমান গণী বলেন, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌছে কাজ শুরু করি। আমাদের ৫টি ইউনিট দীর্ঘ ৩ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। পাশে একটি ডোবা থাকায় আমাদের কাজ করতে সহজ হয়েছে। তবে এতবড় একটি কারখানায় ফায়ার সেফটি আমাদের চোখে পড়েনি। আমরা এ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখব। আর ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে জানানো যাবে।
এ ব্যপারে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আগুনের সংবাদ পেয়ে আমাদের ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।