নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় অবস্থিত শহীদ জিয়া হল মিলনায়তনটি পরিত্যক্তবস্থায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে| ¯স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এ জিয়া হলকে পুনরায় নির্মাণ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু| তিনি একই সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির প্রথম যুগ্ম আহবায়ক প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনের পরেই বিষয়টি নিয়ে বিষয়টির গুরুত্ব বেড়ে যাব| ২৫ এপ্রিল জিয়া হল প্রাঙ্গনে পাট পণ্যজাত মেলায় এসে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো.শরীফুল আলম বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি দিপু ভূইয়া এ জিয়া হলের পুনঃনির্মাণের জন্য ডিও লেটার (চাহিদা পত্র) দিয়েছেন| স্থানীয় এমপি আবুল কালাম ভাইকেও বলবো আপনিও একটি ডিও লেটার দেন| আমরা আশা করি দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে|’ বিএনপির একাধিক নেতা জানান, জিয়া হল নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়াতে হলেও হলের জীর্ণদশা দেখে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেই প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি চিঠি দিয়েছেন রূপগঞ্জের এমপি| এবং বিষয়টি বেশ গুরুত্ব সহকারেই দেখা হচ্ছে| আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন| দিপু ভূইয়া বলেন, ‘জিয়া হল নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে একমাত্র স্থাপনা যেটা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বহন করছে| সুতরাং দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হলের সংস্কার প্রয়োজন অনুধাবন করেই আমি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছি|’ ২২ এপ্রিল দেওয়া চিঠিতে দিপু ভূইয়া লিখেন, ‘নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত ‘শহীদ জিয়া হল’ কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি ¯স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক| ৬০ দশমিক ৬২ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ টাউন হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান| পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটি ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে নামকরণ করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন| জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে একসময় দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয় এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালতের রায়ে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামটি বহাল থাকে| বর্তমানে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন| যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে| শহীদ জিয়া হল পুনর্নির&মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হলে নারায়ণগঞ্জবাসী একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র পাবে| এতে নতুন প্রজন্ম ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিককর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম ˆতরি হবে| নারায়ণগঞ্জের শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় অবস্থিত শহীদ জিয়া হল মিলনায়তনটি পরিত্যক্তবস্থায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে| ¯স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এ জিয়া হলকে পুনরায় নির্মাণ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু| তিনি একই সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির প্রথম যুগ্ম আহবায়ক| প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনের পরেই বিষয়টি নিয়ে বিষয়টির গুরুত্ব বেড়ে যাব| ২৫ এপ্রিল জিয়া হল প্রাঙ্গনে পাট পণ্যজাত মেলায় এসে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো.শরীফুল আলম বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি দিপু ভূইয়া এ জিয়া হলের পুনঃনির্মাণের জন্য ডিও লেটার (চাহিদা পত্র) দিয়েছেন| স্থানীয় এমপি আবুল কালাম ভাইকেও বলবো আপনিও একটি ডিও লেটার দেন| আমরা আশা করি দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে|’ বিএনপির একাধিক নেতা জানান, জিয়া হল নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়াতে হলেও হলের জীর্ণদশা দেখে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেই প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি চিঠি দিয়েছেন রূপগঞ্জের এমপি| এবং বিষয়টি বেশ গুরুত্ব সহকারেই দেখা হচ্ছে| আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন| দিপু ভূইয়া বলেন, ‘জিয়া হল নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যে একমাত্র স্থাপনা যেটা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বহন করছে| সুতরাং দ্রুত সময়ের মধ্যে এ হলের সংস্কার প্রয়োজন অনুধাবন করেই আমি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছি|’ ২২ এপ্রিল দেওয়া চিঠিতে দিপু ভূইয়া লিখেন, ‘নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত ‘শহীদ জিয়া হল’ কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি ¯^াধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক| ৬০ দশমিক ৬২ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ টাউন হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান| পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটি ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে নামকরণ করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন| জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে একসময় দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয় এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালতের রায়ে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামটি বহাল থাকে| বর্তমানে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন| যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে| শহীদ জিয়া হল পুনর্নির&মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হলে নারায়ণগঞ্জবাসী একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র পাবে| এতে নতুন প্রজন্ম ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিককর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম ˆতরি হবে|